হত্যাচেষ্টা মামলায় ভুক্তভোগীর অস্তিত্ব মেলেনি
-
নিউজ প্রকাশের তারিখ :
Jan 13, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন:
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংক্রান্ত মামলাসহ সব মামলা আন্তরিকতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। পিবিআই জানায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৭টি জিআর মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালতে চার্জশিট এবং ৬৭টি সিআর মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। তবে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হলে বিষয়টি স্পষ্ট করে ব্যাখ্যা দিয়েছে পিবিআই। সংস্থাটির তথ্যমতে, ওই দিন জিগাতলার শরিফ (৩৭) বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন, যেখানে মো. সাহেদ আলী (২৭) নামে এক ব্যক্তিকে ভুক্তভোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং আরও নয়জনকে আহত দাবি করা হলেও তাদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় ও ঠিকানা দেওয়া হয়নি। তদন্তে দেখা যায়, এজাহারে উল্লেখিত ঠিকানা ও বাদীর ঠিকানায় সাহেদ আলী নামে কোনো ব্যক্তির অস্তিত্ব নেই এবং তিনি বাদীর ভাইও নন। ভুক্তভোগীর নামে ব্যবহৃত জাতীয় পরিচয়পত্রটি ভুয়া প্রমাণিত হয় এবং সেটির সঙ্গে কোনো মোবাইল নম্বরও নিবন্ধিত ছিল না। এছাড়া সীমান্ত স্কয়ারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দাবি যাচাই করেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে আহত হিসেবে উল্লেখ করা অন্যদের বিষয়ে ঢাকা কলেজ ও ঢাকা সিটি কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা না থাকায় উল্লিখিত নামের কোনো শিক্ষার্থীর তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পিবিআই আরও জানায়, বাদীকে একাধিকবার নোটিশ ও সরাসরি সাক্ষাতে ভুক্তভোগী হাজির করতে বলা হলেও তিনি কাউকে উপস্থাপন করতে পারেননি এবং বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও সঠিক তথ্য সরবরাহ করা হয়নি। ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণেও নির্ধারিত সময় ও স্থানে কোনো সহিংসতা বা হত্যাচেষ্টার ঘটনার প্রমাণ মেলেনি। সার্বিক তদন্তে মামলাটি তথ্যগতভাবে ভুল প্রমাণিত হওয়ায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Revolt News BD
কমেন্ট বক্স