আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আরও ১১ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার যশোর ও খুলনার কয়েকটি আসনে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
যাচাই-বাছাইয়ে যশোর-১ (শার্শা) আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। বিএনপির দলীয় মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়ায় মফিকুল হাসান তৃপ্তির প্রার্থিতা বাতিল হয়। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে ত্রুটি থাকায় শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির এবং একই কারণে আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান আলী গোলদারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ব্যাংক ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত জটিলতার কারণে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের প্রার্থিতা বাতিল হয়। দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বিএনপির মোহাম্মদ ইসহাক ও জহুরুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে ত্রুটির কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসানের এবং টিআইএন ও ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ না থাকায় জাতীয় পার্টি মনোনীত ফিরোজ শাহের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
যশোর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক হাসান জানান, যশোর-১ ও যশোর-২ আসনে মোট আটজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে এবং তারা আইন অনুযায়ী আপিল করার সুযোগ পাবেন।
এদিকে খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তিনজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জিএম রোকনুজ্জামানের প্রস্তাবকারী অন্য এলাকার ভোটার হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ হালদার ও অচিন্ত্য কুমার মণ্ডলের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রার্থিতাও বাতিল করা হয়েছে।
খুলনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার জানান, যাচাই-বাছাইয়ে তিনজনের মনোনয়ন বাতিল এবং ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
Revolt News BD