ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের ঢাকা সফরকে রাজনৈতিক বা আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখাই ভালো বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ঢাকায় এসেছেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, জয়শঙ্করের সফর ছিল সংক্ষিপ্ত হলেও তিনি পুরো আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিয়ে চলে যান। এটিকে একটি ভালো সৌজন্যমূলক উদ্যোগ হিসেবে দেখা উচিত এবং এর বাইরে অতিরিক্ত কোনো রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক অর্থ খোঁজার প্রয়োজন নেই। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই সফরকে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ করা ঠিক হবে না।
জয়শঙ্করের সঙ্গে একান্ত বৈঠক হয়নি উল্লেখ করে তৌহিদ হোসেন বলেন, তাদের মধ্যে ওয়ান টু ওয়ান কোনো আলোচনা হয়নি এবং সে ধরনের সুযোগও সৃষ্টি হয়নি। অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের স্পিকারসহ অন্যান্য বিদেশি অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন এবং সবার সঙ্গেই সৌজন্য বিনিময় হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক রীতির অংশ। তার সঙ্গে যে সামান্য কথাবার্তা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ সৌজন্যপূর্ণ ছিল এবং সেখানে কোনো রাজনৈতিক বা দ্বিপাক্ষিক বিষয় আলোচনায় আসেনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশের মধ্যেই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলোতেও একটি ইতিবাচক ও সম্মানজনক ভাবমূর্তি তৈরি করেছিলেন। দল-মত নির্বিশেষে দেশের মানুষের কাছেও তিনি গ্রহণযোগ্য ছিলেন এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো বিষয়টি স্বীকার করে। সে কারণেই তার মৃত্যুতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিকে স্বাভাবিক বলেই দেখা উচিত।
উল্লেখ্য, খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের পাশাপাশি পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও ঢাকায় সফর করেছেন।
চাইলে এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত ব্রেকিং নিউজ, হেডলাইন-লিড ফরম্যাট, অথবা ফেসবুক পোস্ট উপযোগী ভার্সন করেও সাজিয়ে দিতে পারি।
Revolt News BD