ইফতে খায়রুল আলম সজিব
ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলা ৬ নং ঘোষগাঁও ইউনিয়ন ভালুকাপাড়া গ্রামের নিবাসী ভুক্তভোগী শ্যামল চিরান-ধোবাউড়া থানায় আসিয়া এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেছে যে. বিবাদী ১। মোঃ খলিল মিয়া (৩৮) ২। মোঃ আল আমিন মিয়া (৩০) ৩। মোঃ মমিন মিয়া (২৮) ৪। মোঃ নাইম মিয়া (২৫) সর্বপিতা-মোঃ বাহার উদ্দিন সর্বসাং-পশ্চিম ভালুকাপাড়া, শ্যামল চিরানের পাশের বাড়ীর বাসিন্দা।
বিবাদীগণ উচ্ছৃংখল, এবং খারাপ প্রকৃতির লোক। বিবাদীদের অত্যাচার আদিবাসী কিছু পরিবার অতিষ্ঠ হইয়াছে দীর্ঘদিন ধরে....? ভালুকাপাড়া সেন্ট তেরেজাস স্কুলের পূর্ব পার্শ্বের রাস্তার পাশে শ্যামল চিরানের মনোহরী দোকান আছে একটি।
প্রতি দিনের ন্যায় ইং-১৭/০২/২০২৫ তারিখ সকালে শ্যামল চিরান দোকান খুলিয়া দোকানদারী করিতে থাকে। ঐ দিন বিকেল অনুমান ০৩.০০ঘটিকার সময় উপরোক্ত বিবাদীগন পূর্বের জের ধরিয়া লোহার রড ও বাঁশের লাঠিসোটা নিয়া শ্যামল চিরানের দোকানে প্রবেশ করিয়া শ্যামল চিরানকে আক্রমণ করিয়া সকল বিবাদীগন এলোপাতাড়ি ভাবে বাইরাইয়া ও কিল ঘুষি মারিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলাফুলা জখম করে। পরিশেষে শ্যামল চিরানের ডাক চিৎকারে তাহার কাকা শ্বশুর এডিশনন রেমা (৭৫) আগাইয়া আসিলে বিবাদীগণ শ্যামল চিরানের কাকা শ্বশুরকেও এলোপাথারী ভাবে মারপিট করে। বাদিগণের ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসিয়া বিবাদীদেরকে নিবৃত করে। ঐ সকল বিবাদীগন প্রকাশ্য খুন জখমের হুমকি দিয়া চলিয়া যায়। ঘটনার পর শ্যামল চিরানের কাকা শ্বশুর ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসিয়া চিকিৎসা গ্রহণ করে। ঘটনার বিষয়ে সাক্ষী ১। ভূমিকা নকরেক (৩৬) শ্যামল চিরান সাং-পশ্চিম ভালুকাপাড়া ২। অনিক (৩৭) পিতা-অজ্ঞাত সাং-চন্দ্রকোনা উভয়থানা-ধোবাউড়া জেলা-ময়মনসিংহসহ আরো সাক্ষী অনকেই অবগত আছেন। বিবাদীগন বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়া আসিতেছে।
ঘটনার বিষয়ে শ্যামল চিরানের পরিবারের লোকজনের সাথে আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া অভিযোগ দায়ের করিয়াছেন।