বলিউড সুপারস্টার সালমান খান আজ ৬০ বছরে পদার্পণ করেছেন। তিন দশকের বেশি সময় ধরে পর্দায় রোমান্স, অ্যাকশন ও ব্যক্তিগত উত্থান-পতনের গল্পের মাধ্যমে তিনি দর্শকদের মন জয় করে চলেছেন। ১৯৮৮ সালে ‘বিবি হো তো অ্যায়সি’ দিয়ে বলিউডে অভিষেকের পর ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ ছবিতে রাতারাতি রোমান্টিক নায়ক হিসেবে পরিচিতি পান। পরবর্তী সময়ে কখনো ‘বজরঙ্গি ভাইজান’, ‘সুলতান’, ‘চুলবুল পান্ডে’ বা ‘টাইগার’ হয়ে দর্শকদের মন জয় করেছেন। যদিও সাম্প্রতিক ছবিগুলি বক্স অফিসে ততটা সফল নয়, জনপ্রিয়তা এবং ভক্তদের ভালোবাসা আজও অটুট।
সালমানের জীবনে আলো আর অন্ধকারের সমন্বয় ছিল—জেলের সময়, আইনি জটিলতা, বিতর্কিত প্রেমকাহিনি থেকে প্রাণনাশের হুমকি পর্যন্ত। কিন্তু পরিবারই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ভরসা। বাবা সেলিম খান, মা, দুই ভাই ও দুই বোনকে সবসময় পাশে রাখেন তিনি। জন্মদিন, ঈদ বা উৎসব উদযাপন সব সময় পরিবারের সঙ্গে করতে ভালোবাসেন।
প্রকাশ্য ও ব্যক্তিগত জীবনের ঝড়ঝাপটা পেরিয়ে সালমানের নরম মনের দিকও উঠে এসেছে—সামাজিক কাজের মাধ্যমে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন দুর্যোগে ত্রাণ পাঠানো এবং নিজের ব্র্যান্ড ‘বিইং হিউম্যান’ দিয়ে সমাজসেবায় অবদান রাখা। তিনি এখনও চিরকুমার, বিয়ের প্রসঙ্গ এড়িয়ে চলেন এবং মনে করেন ভাগ্যই সব ঠিক করবে। এই সব দিকের সমন্বয়ে সালমান খানের জীবন পর্দার নায়ক হিসেবে নয়, বাস্তব জীবনেরও এক অনন্য চরিত্র হিসেবে গড়ে উঠেছে।
Revolt News BD