নিজস্বপ্রতিবেদক।
বাংলাদেশের ওষুধশিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করতে অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) নীতি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে অ্যালায়েন্স ফর হেলথ রিফর্মস বাংলাদেশ (এএইচআরবি)। প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানো খোলা চিঠিতে সংস্থাটি উল্লেখ করে, আমদানিনির্ভর এপিআই ব্যবস্থার কারণে দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাত আন্তর্জাতিক অস্থিরতার ঝুঁকিতে থাকে, যা করোনা মহামারির সময় স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।
চিঠিতে স্বাক্ষর করেন এএইচআরবি’র আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আবদুল হামিদ এবং স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সদস্য ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন। তারা বলেন, গবেষণা–উন্নয়ন, ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা–সরঞ্জাম উৎপাদনসহ এপিআই খাতে দেশীয় সক্ষমতা জোরদার না হলে জাতীয় স্বাস্থ্য–নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকবে।
চিঠিতে ১৯৮২ সালের জাতীয় ওষুধনীতির সফলতার উদাহরণ তুলে ধরে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও শক্ত নেতৃত্ব থাকলে বড় নীতি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্ঞানভিত্তিক শিল্পে রূপান্তর ছাড়া ট্যাক্স–জিডিপি অনুপাত বাড়ানো কঠিন; অথচ ফার্মাসিউটিক্যাল খাত এই পরিবর্তনের বড় সুযোগ তৈরি করতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানিতে ওষুধশিল্পের অবদান মাত্র ০.৫ শতাংশ, যেখানে ভারতে তা ৫ শতাংশ
এপিআই নীতি বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে প্রশাসনিক বাধা দূরীকরণ, প্রোডাকশন লিংকড ইনসেনটিভ চালু, গবেষণা–উন্নয়নে সরকারি সহায়তা, অ্যাকাডেমিয়া–ইন্ডাস্ট্রি সমন্বয় এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা ভিত্তিক একটি শক্তিশালী টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়। এএইচআরবি মনে করে, শীর্ষ পর্যায়ের সরাসরি তদারকি নিশ্চিত হলে আমদানিনির্ভরতা কমবে, রপ্তানি বাড়বে, কর্মসংস্থান বিস্তৃত হবে এবং আগামী দশকে বৈশ্বিক বাজারে দেশের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে।
চিঠির শেষে উল্লেখ করা হয়—এপিআই নীতির বাস্তবায়ন শুধু প্রশাসনিক বিষয় নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও জনস্বাস্থ্য–নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত একটি কৌশলগত রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকার
Revolt News BD