নিজস্ব প্রতিবেদক,
ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারের বাঁ হাঁটুর মেনিসকাসে ধরা পড়েছে চিড়। চিকিৎসকদের পরামর্শ—অবিলম্বে আর্থ্রোস্কোপি সার্জারি। তবে এতে চলতি মৌসুমের বাকি সময়টা মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাকে। সবকিছু জেনেও নিজের দল সান্তোসের কঠিন পরিস্থিতির কথা ভেবে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন এই ফরোয়ার্ড।
সান্তোস বর্তমানে লিগ টেবিলের নিচের দিক থেকে উঠতে লড়াই করছে, আর নেইমারকেই দেখছে দলের প্রধান ভরসা হিসেবে। সে কারণেই চোটের ঝুঁকি সত্ত্বেও ফিরতে মরিয়া তিনি। সম্প্রতি ইন্টারনাসিওনালের বিপক্ষে ম্যাচে হাঁটুর ব্যথার কারণে খেলতে পারেননি নেইমার। এখন লিগে বাকি মাত্র তিন ম্যাচ, আর সান্তোস রয়েছে অবনমন অঞ্চলের ঠিক ওপরে ১৭তম স্থানে।
কোচ হুয়ান পাবলো ভোজভোদা নেইমারের উপস্থিতিকেই দেখছেন দলের বাঁচার সবচেয়ে বড় আশার আলো হিসেবে। তিনি জানান, ‘আগামী ম্যাচগুলোতে তাকে পাওয়ার চেষ্টা চলছে। সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত তারই। ব্যথা থাকা সত্ত্বেও সে মাঠে ফিরতে চায়, কারণ দলকে সে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখে।’
বুধবারের অনুশীলনে নেইমার অংশ নিলেও তিনি পুরোপুরি ফিট নন। নন-কন্ট্যাক্ট ট্রেনিং করেন এবং বাঁ হাঁটুতে সাপোর্ট বেঁধে নামেন মাঠে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বড় কোনো ধাক্কা লাগলে তার হাঁটু আরও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই চিকিৎসকরা বিশ্রাম ও জরুরি সার্জারির কথাই বলছেন।
তবে অস্ত্রোপচার করালে এক মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে নেইমারকে, যা তার মৌসুমের সমাপ্তি টেনে দিতে পারে। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের শুরুর ম্যাচ এবং মার্চে জাতীয় দলে ফেরার পরিকল্পনাও হুমকির মুখে পড়বে।
নিজেকে নাকি দল—এই দুটোর মধ্যে কোনটিকে অগ্রাধিকার দেবেন, তা নিয়েই এখন ভাবছেন নেইমার। সান্তোসের ভাগ্যও অনেকটাই তার এই সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
Revolt News BD