শেরিফ হোসেন,নীলফামারী প্রতিনিধি:: রংপুরের গংগাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক ব্যক্তির দেহে অ্যানথ্রাক্সের সন্দেহজনক উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
স্বাস্থ্যকর্মীদের মতে, অ্যানথ্রাক্স সাধারণত সংক্রামিত গৃহপালিত পশু যেমন গরু, মহিষ, ছাগল বা ভেড়া থেকে মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে অসুস্থ বা হঠাৎ মারা যাওয়া প্রাণীর মাংস, চামড়া বা রক্তের সংস্পর্শে এলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে।
সতর্কতা ও পরামর্শঃ
অসুস্থ বা অজ্ঞাত কারণে মারা যাওয়া পশুর মাংস কাটা, কেনা বা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন
পশু জবাই বা চামড়া ছাড়ানোর ক্ষেত্রে দস্তানা ও সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করুন
যে কোনো অস্বাভাবিক চামড়ার ঘা, কালো দাগ বা ফোঁড়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন
গৃহপালিত পশুর মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ বা অসুস্থতা দেখা দিলে পশু চিকিৎসকের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করুন
চিকিৎসকরা জানান, সময়মতো চিকিৎসা নিলে অ্যানথ্রাক্স নিয়ন্ত্রণযোগ্য ও চিকিৎসাযোগ্য রোগ। তাই আতঙ্কিত না হয়ে বরং প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ ও পশুসম্পদ বিভাগ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে।
Revolt News BD