পুলিশ বলছে, কথায় কথায় গুলি ছোড়ে একের পর এক হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাসী রায়হান। তাকে ধরতে একাধিকবার অভিযান চালিয়েও পাওয়া যায়নি। রাউজান ও ফটিকছড়ির পাহাড়ি এলাকায় আস্তানা তার। সেখান থেকে এসে অপরাধ করে, বিশেষ করে গুলি করে হত্যার পর দ্রুত পাহাড়ের নিরাপদ স্থানে চলে যায়।
মূলত চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদের কাছ থেকে দীক্ষা নিয়ে দুর্ধর্ষ হয়ে উঠেছে রায়হান।পুলিশের ভাষ্য, এলাকায় চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জের ধরে আলম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহত আলম একসময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত জানে আলম বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন।
এ ছাড়া আলম ওই এলাকায় ডাকাত আলম হিসেবে পরিচিত। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অস্ত্র-মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় ১২ বছর কারাগারে ছিলেন। গত বছরের ৫ আগস্টের পর জামিনে মুক্তি পান। তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।আলম হত্যা
গত শনিবার বিকালে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার সময় রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চারাবটতল বাজারসংলগ্ন কায়কোবাদ জামে মসজিদের সামনে আলমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় তার স্ত্রী ও সন্তান পেছনে একটি অটোরিকশায় ছিলেন। পাশের গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন তারা। আলমের বাড়ি পার্শ্ববর্তী ঢালারমুখ এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কায়কোবাদ মসজিদের পাশের কবরস্থানে লুকিয়ে থাকা ৮-১০ জন অস্ত্রধারী আলমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা আলম ঘটনাস্থলেই নিহত হন। অস্ত্রধারীরা হত্যার পর দুই মিনিটের মধ্যে রাঙামাটি সড়ক দিয়ে অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। আলমের শরীরে পাঁচটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Revolt News BD