সূত্র অনুযায়ী, এক অজ্ঞাতপরিচয় মহিলা বিমানবন্দরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা পেরিয়ে হেঁটে চলে যান—তার হাতে থাকা পাসপোর্টটি “Torenza” নামের এক দেশের, যার অস্তিত্বই নেই পৃথিবীর মানচিত্রে। আরও অবাক করার বিষয় হলো, তিনি নিজেকে ২১৪৭ সালের একজন বাসিন্দা বলে দাবি করেন।
মহিলার ভাষ্য অনুযায়ী, পৃথিবী ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, এবং মানবজাতিকে সতর্ক হওয়ার শেষ সময় এসেছে। তার এই বক্তব্যের পরপরই বিমানবন্দরে দেখা দেয় চরম আতঙ্ক। নিরাপত্তা বাহিনী তৎপর হয়ে উঠলেও, রহস্যময় ওই নারী মুহূর্তেই নিখোঁজ হয়ে যান।
তদন্তে পরে জানা যায়—ঘটনাটি আসলে বাস্তব নয়। পুরো গল্প ও ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে আধুনিক Artificial Intelligence (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান যুগে এআই প্রযুক্তির বিকাশের ফলে বাস্তব আর কল্পনার সীমারেখা ক্রমেই মুছে যাচ্ছে। কোনটা সত্য, আর কোনটা মিথ্যা—তা বোঝা এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে এমন ভুয়া তথ্যের প্রচার সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে, তাই সচেতন থাকা জরুরি বলে জানিয়েছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।
এই ঘটনার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো—ডিজিটাল যুগে তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস করা বিপজ্জনক। সত্য-মিথ্যার মাঝে পার্থক্য করতে এখন প্রয়োজন আরও বেশি বুদ্ধি, সচেতনতা এবং প্রযুক্তি জ্ঞান।
Revolt News BD