সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ বছর উপজেলায় ৬ হাজার ১৮২ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম। তবে চলতি মৌসুমে অনেক ক্ষেতেই মাজরা পোকার আক্রমণে শীষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তালসার গ্রামের কৃষক বশির আহম্মেদ বলেন, ০৩ বিঘা জমিতে ধান করেছি। কয়েক সপ্তাহ ধরে মাজরা পোকার আক্রমণ চলছে। বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ ব্যবহার করেও কোনো কাজ হচ্ছে না।
একই গ্রামের গজেন দাস জানান০২ বিঘা জমিতে ধান করেছেন। ওষুধ প্রয়োগের পরও পোকা নিয়ন্ত্রণে আসছে না। কামারকুন্ড গ্রামের কৃষক আবু বক্কর সিদ্দিক (বাক্কা) বলেন,০৪ বিঘা জমির ধান রক্ষায় ‘কাপনাল ‘বাতির’ আর ‘নাইট্রো’ স্প্রে করেছি। কিন্তু তাতেও কোনো ফল মিলছে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন বলেন, “প্রতি বছরই ধানে মাজরা পোকার আক্রমণ হয়। তবে এবার আক্রান্তের হার তুলনামূলক কম। যেসব জমিতে আক্রমণ হয়েছে, সেখানে আমাদের নজরদারি চলছে।
তিনি আরও জানান, চাষিদের জমিতে ডাল পোতার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে উপকারী পোকা ও পাখি মিলে ক্ষতিকর পোকার ডিম খেয়ে ফেলে। তাতেও নিয়ন্ত্রণে না এলে ‘কাটাপ’ জাতীয় ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে
Revolt News BD