
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট শর্তে গুম হওয়া ব্যক্তির সম্পত্তি বৈধ উত্তরাধিকারদের মধ্যে বণ্টনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মঙ্গলবারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি টানা কমপক্ষে পাঁচ বছর গুম থাকার পর জীবিত ফিরে না এলে এবং এ সময়ে তার সন্ধান না মিললে, বৈধ উত্তরাধিকারদের আবেদনের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল ওই ব্যক্তির বিদ্যমান সম্পত্তি উত্তরাধিকারদের মধ্যে বণ্টনযোগ্য ঘোষণা দিতে পারবে। সংশোধিত অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালে অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার প্রয়োজনীয় সংখ্যক পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করবে, তবে অভিযোগকারী বা ভুক্তভোগী চাইলে ব্যক্তিগত উদ্যোগেও আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারবেন। পাশাপাশি কমিশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত বা কমিশন না থাকলে সরকার সরাসরি পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলা বা বিভাগের পাবলিক প্রসিকিউটর বা অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটরকে ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিতে পারবে।