প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 28, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 13, 2025 ইং
গলাচিপায় স্বাস্থ্য সনদ ছাড়াই পশু জবাই, অ্যানথ্রাক্স ছড়ানোর আশঙ্কা

পটুয়াখালীর প্রতিনিধি:: পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রতিনিয়ত পশু জবাইয়ের ঘটনা ঘটছে। স্বাস্থ্য সনদ ছাড়াই যশোর, খুলনা ও কুষ্টিয়া থেকে আনা গরু বিভিন্ন বাজারে জবাই করা হচ্ছে। এতে অ্যানথ্রাক্সসহ বিভিন্ন সংক্রামক ও প্রাণঘাতী রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ আইনে পশু জবাইয়ের আগে পশু চিকিৎসকের কাছ থেকে স্বাস্থ্য সনদ নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু গলাচিপার অধিকাংশ বাজারে সেই নিয়মের কোনো বালাই নেই। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরদারির ঘাটতির কারণে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
উপজেলার গলাচিপা পৌরসভার পুরান গরু হাট, পৌর মাছ বাজার, সাব-রেজিস্ট্রার অফিস চত্বর, আমখোলা ইউনিয়নের বাদুরা বাজার, গোলখালির হরিদেবপুর, গজালিয়ার আদানি বাজার, কলাগাছিয়া সোমবার বাজার, চরকাজল, চরবিশ্বাস ও বটতলাসহ অন্তত ১৫টিরও বেশি স্থানে প্রতিদিন পশু জবাই হচ্ছে। তবে কোনো স্থানেই উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কার্যকর তদারকি নেই।পৌরবাসী সাইফুল ইসলাম বলেন,“কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই গরু-ছাগল জবাই হচ্ছে। আমরা জানিই না—মাংসটি সুস্থ না অসুস্থ পশুর।”
সম্প্রতি চরকাজল ইউনিয়নের নতুন বাজারে এক ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে অসুস্থ গরু জবাই করেন। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় প্রাণী সুরক্ষা সংগঠন ‘এনিম্যাল লাভারস অফ পটুয়াখালী’-এর সদস্য আবু তাঈম সিজান প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরে প্রশাসন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সতর্ক করে ছেড়ে দেয়।
গরুর মাংস ব্যবসায়ী মো. মাসুদ মিয়া বলেন,“কয়েকদিন আগে হাসপাতালের লোকজন এসে সিল দিয়েছিল।
এরপর আর কেউ আসে না। আমরা যেসব গরু জবাই করি, সেগুলোর বেশিরভাগই আসে খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়া থেকে।”
গলাচিপা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সজল দাস বলেন,“আমা
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ Revolt News BD