প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 28, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 13, 2025 ইং
ঝালকাঠি বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:: ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আবারও প্রকাশ্যে এসেছে। রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ শেষে ফেরার পথে দলের এক মনোনয়নপ্রত্যাশীর গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপি ও শ্রমিক দলের অন্তত ১০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
গত শনিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের পুটিয়াখালী মিরের হাটসংলগ্ন সোনালী মোড়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামালের অনুসারীরা এই হামলার সঙ্গে জড়িত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্র জানায়, ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনের বিএনপি মনোনয়নপ্রত্যাশী গোলাম আজম সৈকত লিফলেট বিতরণ শেষে গাড়িবহর নিয়ে ফিরছিলেন। একই পথে যাচ্ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা রফিকুল ইসলাম জামালের গাড়িবহর। এ সময় জামালের অনুসারীরা সৈকতের বহরে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
হামলাকারীরা সৈকতের বহরের একটি হাইয়েস মাইক্রোবাস ভাঙচুর করে এবং চালককে মারধর করে। এতে বিএনপি নেতা ইউনুস মেম্বার, শ্রমিক দল নেতা সোহেল, ইলিয়াস মোল্লা, রিপন বিশ্বাসসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মনোনয়নপ্রত্যাশী গোলাম আজম সৈকত বলেন,“আমরা শান্তিপূর্ণভাবে দলীয় কর্মসূচি শেষে ফিরছিলাম। পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। বিএনপি এখন আন্দোলনের পথে—এটা কিছু লোক সহ্য করতে পারছে না। আমি হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানাই।”
অভিযুক্ত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,“আমি বা আমার কোনো কর্মী হামলার সঙ্গে জড়িত নই। বরং শুনেছি আমাদের একটি গাড়িতে সৈকতের সমর্থকেরা বাজে শব্দ ব্যবহার করেছিল। আমার জানামতে কোনো সংঘর্ষ হয়নি। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমার নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
রাজাপুর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল মালেক বলেন,“খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ Revolt News BD